আহলে বাইতে রাসূল (দ.) স্মরণে শাহ আমানত দরগাহ শরীফে ১০ দিনব্যাপী শাহাদাতে মাহফিল সম্পন্ন

আমার বাংলা টিভি ডেস্ক : কুতুবুল আকতাব, গরীবে নেওয়াজ, শাহানশাহে বেলায়ত হযরত শাহ সুফি আমানত খান (রহ.) দরগাহ শরীফ, খানকায়ে আমানতিয়া বেলায়েতীয়া শরীফের উদ্যোগে আহলে বাইতে রাসূল (দ.)-এর স্মরণে ১০ দিনব্যাপী শাহাদাতে মাহফিল, ফাতেহা, শরবত ও ফাতেহা আওলাদে বাবাজান কেবলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। পুরো কর্মসূচি আওলাদে পাক ও সাজ্জাদানশীন শাহজাদা সৈয়দ মোহাম্মদ হাবিব উল্লাহ খান মারুফ শাহ আল-আমানতীর তত্ত্বাবধানে সম্পন্ন হয়।

মাহফিলে বক্তব্য রাখেন শাহ আমানত হাউজিং সোসাইটি জামে মসজিদের খতিব হযরতুল আল্লামা মুফতি ফজলুল কাবির বদরী (মজিআ.) এবং হযরত শাহ সুফি আমানত খান (রহ.) জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা মো. তবারক হোসেন।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন অ্যাডভোকেট ইকবাল হোসেন মাহবুব, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মোহাম্মদ মহিউদ্দিন মুন্সি, মোহাম্মদ আতাউল গনি রকি, টিপু চৌধুরী, মাওলানা মো. ইয়াসিন হোসেন, মোহাম্মদ আখতার হোসেনসহ অসংখ্য আশেকে রাসুল, ভক্ত ও মুসল্লি।

বক্তারা বলেন, প্রিয় নবী করিম (দ.) ও আহলে বাইতের প্রতি ভালোবাসা, ধর্মনিষ্ঠা, আত্মত্যাগ, দায়িত্ববোধ এবং মানুষের কল্যাণে জীবন উৎসর্গ করার শিক্ষা মুসলিম উম্মাহর জন্য অনুকরণীয়। তাঁরা বলেন, ভোগে নয়, ত্যাগেই প্রকৃত সুখ নিহিত। জুলুম ও অন্যায়ের কাছে মাথানত না করে সর্বাবস্থায় আল্লাহর ওপর পূর্ণ ভরসা রাখাই শোহাদায়ে কারবালার অন্যতম শিক্ষা। কারবালার ঘটনা আত্মমর্যাদা, সত্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠায় জীবন উৎসর্গের অনন্য দৃষ্টান্ত।

সাজ্জাদানশীন শাহজাদা সৈয়দ মারুফ শাহ আল-আমানতী বলেন, পার্থিব কল্যাণ ও পরকালীন মুক্তি লাভের জন্য প্রিয় রাসুল (সা.)-এর আহলে বাইতের আদর্শ দৃঢ়ভাবে অনুসরণ করা প্রয়োজন। তিনি বলেন, নবী-রাসুল, আহলে বাইত, খোলাফায়ে রাশেদিন, সাহাবায়ে কেরাম এবং আউলিয়ায়ে কেরামের অনুসৃত পথই মানবজাতির মুক্তির পথ।

বাদ জুমা ফকির, এতিম ও মিসকিনদের বসিয়ে তবারুক খাওয়ানো হয়। পরে মুসল্লি, আশেকে রাসুল ও ভক্তদের মাঝেও তবারুক বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানের সমাপ্তিতে দেশ-জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি, প্রবাসে অবস্থানরত সকল দ্বীনদার ভাই-বোনের হাজত পূরণ ও সার্বিক কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মুনাজাত পরিচালনা করেন আওলাদে পাক শাহজাদা সৈয়দ মারুফ শাহ আল-আমানতী।