শনিবার , ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ | সকাল ৭:৫৫

এইমাত্র পাওয়া:

৥ আমার বাংলা TV: পুরান ঢাকার চকবাজারে লাশ হস্তান্তর শুরু, ৪১ জনের পরিচয় শনাক্ত ৥
৥ আমার বাংলা TV: রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ,ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শোক ৥
৥ আমার বাংলা TV: কক্সবাজার টেকনাফে র‌্যাব ও বিজিবির সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ২ ৥
৥ আমার বাংলা TV: ২২ লাশ শনাক্তে ডিএনএ টেস্ট হবে স্বজনদের ৥
৥ আমার বাংলা TV: রাজধানী অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা ছিল না ভবনে: ডিএসসিসির তদন্ত দল চকবাজারে অগ্নিকাণ্ড ৥
৥ আমার বাংলা TV: ময়মনসিংহে পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে মাদক ব্যবসায়ী’ নিহত ৥
৥ আমার বাংলা TV: লাশের মিছিল গোটা দেশকে করেছে শোকার্ত ৥
৥ আমার বাংলা TV: রাসায়নিক বিক্রেতাদের আইনের আওতায় আনা হবে: ওবায়দুল কাদের ৥
৥ আমার বাংলা TV: পুরান ঢাকায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৭৮ ৥

৭ কোম্পানির শেয়ার নিয়ে কারসাজির অভিযোগ।

আমার বাংলা TV :বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংকের মালিকানাধীন ব্রোকারেজ হাউস কমার্স ব্যাংক সিকিউরিটিজের বিরুদ্ধে তালিকাভুক্ত সাত কোম্পানির শেয়ার নিয়ে কারসাজির সুনির্দিষ্ট অভিযোগ এনেছে শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি। এ বিষয়ে ব্রোকারেজ হাউসটিকে কারণ দর্শানোর পাশাপাশি আগামীকাল সোমবার নিয়ন্ত্রক সংস্থার কার্যালয়ে শুনানিতে হাজির হতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সংশ্নিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।বেসরকারি ব্যাংকটির ব্রোকারেজ হাউসটির বিরুদ্ধে তালিকাভুক্ত মুন্নু স্ট্যাফেলার্স, মুন্নু সিরামিক, লিগ্যাসি ফুটওয়্যার, বিডি অটোকার, কুইন সাউথ টেক্সটাইল, আলিফ ইন্ডাস্ট্রিজ এবং ইস্টার্ন লুব্রিকেন্টস কোম্পানির শেয়ার নিয়ে কারসাজি করার অভিযোগ আনা হয়েছে। গত দেড় বছরে দেশের শেয়ারবাজারে যেসব শেয়ার নিয়ে বড় ধরনের কারসাজি হয়েছে, এসব শেয়ার তার শীর্ষে। এর কোনোটির বাজারদর এক সপ্তাহ বা এক মাসেই দ্বিগুণ ও তিন গুণ হয়েছে। আবার এক বছরে এর কোনোটির বাজারদর ১০ গুণ ছাড়িয়েছে। পাওয়া গেছে মালিকপক্ষের সংশ্নিষ্টতা। এ অবস্থায় প্রভাবশালী একটি মহল তা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টায় তৎপর বলে জানা গেছে।তবে ব্রোকারেজ হাউসটির চেয়ারম্যান বখতিয়ার আহমেদ অবশ্য তার প্রতিষ্ঠান বা নিজের এসব কারসাজিতে জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। জানতে চাইলে কমার্স ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ সংশ্নিষ্ট সবাই সমকালের কাছে একই দাবি করেছেন।

প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের জুন থেকে উল্লিখিত শেয়ারগুলো নিয়ে কারসাজি শুরু হয়, যা এখনও চলছে। ব্রোকারেজ হাউসটিসহ এর কয়েকজন গ্রাহক এবং সংশ্নিষ্ট কর্মকর্তারা সরাসরি জড়িত ছিলেন বলেও অভিযোগ আছে। উল্লিখিত কোম্পানিগুলোর শেয়ারদরের অস্বাভাবিক উল্লম্ম্ফনের প্রেক্ষাপটে বিএসইসি তদন্ত করে এমন তথ্য পেয়েছে। তদন্তে শেয়ারবাজার সংক্রান্ত বেশ কয়েকটি আইন লঙ্ঘনের প্রমাণসহ নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে প্রতিবেদন দিয়েছে তদন্ত কমিটি। প্রতিবেদন আমলে নিয়ে আইন অনুযায়ী শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে সংশ্নিষ্ট বিভাগকে নির্দেশ দিয়েছে বিএসইসি। এ প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ব্রোকারেজ হাউসটিকে শুনানিতে ডাকা হয়েছে।তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে- তালিকাভুক্ত মুন্নু সিরামিক, লিগ্যাসি ফুটওয়্যার, বিডি অটোকার, কুইন সাউথ টেক্সটাইল এবং আলিফ ইন্ডাস্ট্রিজের শেয়ার কারসাজিতে শীর্ষ ভূমিকায় ছিল ব্রোকারেজটি। মুন্নু স্ট্যাফেলার্সের শেয়ার কারসাজি ব্রোকারেজ হাউসটির অবস্থান দ্বিতীয় এবং ইস্টার্ন ল্যুব্রিকেন্টসের শেয়ার কারসাজিতে অবস্থান চতুর্থ।নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসির তদন্ত কমিটি কারসাজি হওয়া সাত কোম্পানির ক্ষেত্রে অস্বাভাবিক দর বৃদ্ধি ও লেনদেন হওয়া ভিন্ন ভিন্ন সময়ের লেনদেন পরীক্ষা করেছে। কমিটির পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, তদন্তকালে কোনো কোনো দিন কমার্স ব্যাংক সিকিউরিটিজ থেকে সংশ্নিষ্ট কোম্পানির লেনদেন হওয়া মোট শেয়ারের ২০ থেকে ৫৮ শতাংশ পর্যন্ত কেনা হয়েছিল।

এ বিষয়ে তদন্ত কমিটি তাদের পর্যবেক্ষণে জানিয়েছে, ব্রোকারেজ হাউসটি থেকে বড় অঙ্কের শেয়ার ক্রয়সংশ্নিষ্ট কোম্পানিগুলোর শেয়ার লেনদেনে একচ্ছত্র প্রাধান্য বিস্তার করে, যা এসব শেয়ারের বাজারদরকে প্রভাবিত করে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে গ্রাহকদের (বিনিয়োগকারী) অ্যাকাউন্ট থেকে শেয়ার কেনাবেচা হলেও ব্রোকারেজ হাউসটির সম্পৃক্ততা ছাড়া এমন শেয়ার কেনাবেচা সম্ভব ছিল না।তদন্ত কমিটি অভিযোগ এনেছে, কমার্স ব্যাংক সিকিউরিটিজ তার নিজের স্বার্থে গ্রাহকদের কারসাজিমূলক শেয়ার কেনাবেচার সুযোগ করে দেয় এবং কৃত্রিম বাজার সৃষ্টিতে সহায়তা করে। ব্রোকারেজ হাউসটি এসব ঘটনায় সম্পৃক্ত না থাকলে আইন অনুযায়ী তার গ্রাহকদের সন্দেহমূলক কারসাজির বিষয় অবহিত করত, যা হাউসটি করেনি।

সহযোগী প্রতিষ্ঠানের কারসাজি বিষয়ে জানতে চাইলে কমার্স ব্যাংকের চেয়ারম্যান ড. ইঞ্জিনিয়ার রশিদ আহমেদ চৌধুরী জানান, ব্যাংকের সুনাম নষ্ট হয়, এমন কোনো বিষয় তিনি অনুমোদন করবেন না। এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে সংশ্নিষ্টদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ব্যাংকটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (চলতি দায়িত্ব) জাফর আলম বলেন, আমরা মনে করে করি, যেসব অভিযোগ আনা হয়েছে, তা ঠিক নয়। তবে ভবিষ্যতে এমন অভিযোগ যাতে না আসে সে বিষয়ে সতর্ক থাকব। নিজেদের ব্রোকারেজ হাউসে বিও অ্যাকাউন্ট খুলে শেয়ার কেনাবেচার অভিযোগ পাওয়ায় সব কর্মকর্তা-কর্মচারীকে এ ধরনের অ্যাকাউন্ট বন্ধ করা এবং ভবিষ্যতে না খোলার নির্দেশও দেওয়া হয়েছেনিয়ন্ত্রক সংস্থার ডাকা শুনানিতে আগামীকাল কমিশন ভবনে যাবেন বলে নিশ্চিত করেছেন ব্রোকারেজ হাউসটির সিইও এমএ মোতালেব চৌধুরী। এ বিষয়ে অন্য কোনো মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানান তিনি।

মুন্নু স্ট্যাফেলার্স ও মুন্নু সিরামিক : গত এক বছরে যেসব কোম্পানির শেয়ার নিয়ে বড় ধরনের কারসাজি হয়েছে, তার শীর্ষে আছে মুন্নু গ্রুপের মুন্নু স্ট্যাফেলার্স ও মুন্নু সিরামিক। এক্ষেত্রে কোম্পানি দুটির একাধিক কর্মকর্তার সম্পৃক্ততার অভিযোগ মিলেছে। জানা গেছে, মুন্নু গ্রুপের একাধিক পদস্থ কর্মকর্তা কমার্স ব্যাংক সিকিউরিটিজ থেকে শেয়ার কেনাবেচা করেন। এদের মাধ্যমে অপ্রকাশিত মূল্য সংবেদনশীল তথ্য (ইনসাইড ইনফরমেশন) পেয়ে তা ব্যবহার করেছে হাউসটি এবং তার কয়েকজন বড় গ্রাহক।মুন্নু সিরামিকের শেয়ার কারসাজি শুরু হয় গত বছরের আগস্ট থেকে। গত বছর ১৩ আগস্ট শেয়ারটি ৪১ টাকায় কেনাবেচা হয়। এর মাত্র তিন সপ্তাহ পর ৬ সেপ্টেম্বর শেয়ারটির দর প্রায় তিন গুণ হয়ে ১১২ টাকা ছাড়ায়। এ ক্ষেত্রে কারসাজির অভিযোগে সমকালে প্রতিবেদন প্রকাশের দিনেই তদন্ত কমিটি গঠন করে বিএসইসি। তদন্ত কমিটি ওই সময়ের লেনদেন পরীক্ষা করে কমার্স ব্যাংকের সম্পৃক্ততার প্রমাণ পায়। অবশ্য এর পরও শেয়ারটির দর বাড়ে। এক বছরেরও কম সময়ের ব্যবধানে গত জুলাই মাসে শেয়ারটি দর প্রায় ১০ গুণ বেড়ে রেকর্ড দর ৩৯৮ টাকায় উঠেছিল।

কমিটি দেখেছে, তদন্তকালীন তিন সপ্তাহের মধ্যে দেশের শেয়ারবাজারের তিন শতাধিক ব্রোকারেজ হাউসের মধ্যে মুন্নু সিরামিকের শেয়ার কেনাবেচায় কমার্স ব্যাংক সিকিউরিটিজ ছিল শীর্ষে। এ সময়ে যত শেয়ার কেনাবেচা হয়েছে, তার সাড়ে ১০ শতাংশেরও বেশি ছিল এ ব্রোকারেজ হাউসটির।মুন্নু সিরামিকের আগেই মুন্নু স্ট্যাফেলার্স কোম্পানির শেয়ার কারসাজি শুরু হয়েছিল। গত বছরের জুলাইয়ের শুরুতে শেয়ারটির দর ছিল ৫০০ টাকা। এক বছরের ব্যবধানে গত আগস্টে দর ৪ হাজার ৬০০ টাকা ছাড়ায়। তবে কমিশন গত ১ এপ্রিল থেকে ২১ জুন পর্যন্ত সময়ের লেনদেন পরীক্ষা করে। এই সময়ে শেয়ারটির দর ৮০০ টাকা থেকে সাড়ে তিন হাজার টাকায় উন্নীত হয়েছিল। এ সময় ডিএসইতে যত শেয়ার কেনাবেচা হয়, তার সাড়ে ১০ শতাংশ হয়েছে কমার্স ব্যাংক সিকিউরিটিজ থেকে।

লিগ্যাসি ফুটওয়্যার : প্রায় বন্ধ কোম্পানি লিগ্যাসি ফুটওয়্যারের শেয়ার কারসাজি শুরু হয় গত বছরের জুলাই থেকে। ওই সময় শেয়ারটির দর ছিল ২৫ টাকা। পরের মাত্র দুই মাসে শেয়ারটির দর দ্বিগুণের বেশি বেড়ে ৫৮ টাকা ছাড়ায়। দ্বিতীয় দফায় এর কারসাজি শুরু হয় গত এপ্রিলের শেষ সপ্তাহ থেকে। এ সময় শেয়ারটি ৫৩ টাকায় কেনাবেচা হয়েছে। এর সাড়ে তিন মাস পর গত ১২ আগস্ট শেয়ারটির দর রেকর্ড ২৮০ টাকায় উন্নীত হয়। এ সময়ে এ রুগ্‌ণ কোম্পানিটির শেয়ারদর সোয়া ৫ গুণ বেড়েছে।বিডি অটোকার : চলতি বছর যে ক’টি শেয়ার নিয়ে বড় ধরনের কারসাজি হয়েছে তার শীর্ষে আছে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন কোম্পানি বিডি অটোকার। স্বল্প মূলধনী এ কোম্পানির ব্যবসা ঢাকার তেজগাঁওস্থ একটি পেট্রোল পাম্পে সীমাবদ্ধ। কোম্পানিটির শেয়ারদরে বড় উল্লম্ম্ফন হয় গত বছরের মে থেকে আগস্টের মধ্যে। ওই সময় শেয়ারটির দর ৬৩ টাকা থেকে ১৪০ টাকা হয়েছিল।

তবে এ কোম্পানির ইতিহাসে সবচেয়ে বড় কারসাজি হয়েছে গত জুন মাসে। মাত্র এক মাসের ব্যবধানে শেয়ারটির দর ১১৯ টাকা থেকে চার গুণ বেড়ে ৪৯০ টাকায় উন্নীত হয়। তবে তদন্ত কমিটি গত ২৮ মে থেকে ১৯ জুন পর্যন্ত সময়ের শেয়ার লেনদেন পরীক্ষা করেছে। এ সময় বিডি অটোকারের ৩৯ লাখ ১১ হাজার শেয়ার কেনাবেচা হয়। উল্লিখিত সময়ে বিক্রি হওয়া শেয়ারের প্রায় ৪১ শতাংশই একা কমার্স ব্যাংক সিকিউরিটিজ থেকে কেনা হয়েছে।কুইন সাউথ : গত বছরের মার্চে তালিকাভুক্ত হয় বস্ত্র খাতের কোম্পানি কুইন সাউথ টেক্সটাইল। লেনদেন শুরুর দুই সপ্তাহ পরই শেয়ারটির দর নিয়ে কারসাজি হয়। নতুন এ শেয়ারের কারসাজির মূলে ছিল কমার্স ব্যাংক সিকিউরিটিজ। এপ্রিলের মাঝামাঝি থেকে পরের তিন মাসে শেয়ারটির দর ২৭ টাকা থেকে ৬৯ টাকা ছাড়িয়েছিল। কিন্তু কমিশন গত ১১ এপ্রিল থেকে ৭ মে পর্যন্ত সময়ের লেনদেন পরীক্ষা করেছে। এ সময় শেয়ারটির দর ২৭ টাকা থেকে ৫০ টাকায় ওঠে। এ সময়ে কেনাবেচা হওয়া ২ কোটি ৭৯ লাখ শেয়ারের মধ্যে একা কমার্স ব্যাংক সিকিউরিটিজই এর প্রায় ২০ শতাংশ কেনে।

আলিফ ইন্ডাস্ট্রিজ : এ কোম্পানির কারসাজি খতিয়ে দেখতে কমিশনের তদন্ত কমিটি চলতি বছরের ২৯ মে থেকে ৩ জুন পর্যন্ত সময়ের লেনদেন পরীক্ষা করে। এই চার দিনে শেয়ারটির দর ৮৫ টাকা থেকে ৩০ শতাংশ বেড়ে ১১১ টাকা হয়। এ ছাড়া কেনাবেচা হয় ৮৪ লাখ ৭০ হাজার শেয়ার। তদন্ত কমিটি দেখেছে, এ সময়ের লেনদেন হওয়া শেয়ারের প্রায় ২৩ শতাংশই কমার্স ব্যাংক সিকিউরিটিজ থেকে কেনা হয়েছে।ইস্টার্ন ল্যুব্রিকেন্টস : এ ছাড়া রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ইস্টার্ন ল্যুব্রিকেন্টস কোম্পানির শেয়ার কারসাজিতেও কমার্স ব্যাংক সিকিউরিটিজের সম্পৃক্ততার তথ্য পেয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা। গত এপ্রিলের লেনদেন পরীক্ষা করে কমিশন দেখেছে, এ সময়ে শেয়ারটির দর বাড়াতে ব্রোকারেজ হাউসটি থেকে সিরিজ লেনদেন হয়েছে। এমনকি গ্রাহকদের মার্জিন ঋণের সীমা লঙ্ঘন করে এক টাকার বিপরীতে সাত টাকা পর্যন্ত ঋণ দেওয়া হয়েছে।

আমার বাংলা নিউজ /১১ নভেম্বর / ২০১৮

About amarbangla

amarbanglanews

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *