বৃহস্পতিবার , ২০ জুন ২০১৯ | দুপুর ২:০৭

এইমাত্র পাওয়া:

৥ আমার বাংলা TV: আজ (মঙ্গলবার) চাঁদ দেখা গেলে আগামীকাল ঈদ ৥
৥ আমার বাংলা TV: ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ৪৫ কিলোমিটার যানজট ৥
 ৥ আমার বাংলা TV: জোড়া সেঞ্চুরির পরও হার ইংল্যান্ডের ৥
 ৥ আমার বাংলা TV: মাদারীপুরে ৩০ গ্রামের লক্ষাধিক মানুষের আগাম ঈদ ৥
৥ আমার বাংলা TV: রংপুরে ফাঁস দিয়ে কলেজ শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা ৥
৥ আমার বাংলা TV: চট্টগ্রামে সীতাকুণ্ড কথিত বন্দুকযুদ্ধে ২ ডাকাত নিহত ৥
৥ আমার বাংলা TV: সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যে ঈদুল ফিতর উদযাপন ৥
৥ আমার বাংলা TV: সৌদি আরবে ঈদ মঙ্গলবার ৥
৥ আমার বাংলা TV: ভুল করেছে তো মরেছে দ.আফ্রিকা, মতামত ক্যালিসের ৥
৥ আমার বাংলা TV: ঈদের শপিং শেষে বাড়ি ফেরার পথে গোপালগঞ্জে নিহত ২ ৥
৥ আমার বাংলা TV: সর্ববৃহৎ ঈদের জামাতের জন্য প্রস্তুত গোর-এ শহীদ ময়দান ৥
৥ আমার বাংলা TV: নারায়ণগঞ্জেও ঈদের আগাম জামাত ৥
৥ আমার বাংলা TV: রাজনৈতিক নেতারা কে কোথায় ঈদ করবেন ৥
৥ আমার বাংলা TV: এটিএম বুথে জালিয়াতি: ইউক্রেনের ৬ নাগরিক ৩ দিনের রিমান্ডে ৥
৥ আমার বাংলা TV: ধামরাইয়ে বাসচাপায় পিকআপভ্যানের ৪ যাত্রী নিহত ৥
৥ আমার বাংলা TV: টাকা পেলেই জঙ্গিদের পক্ষে আদালতে দাঁড়ানো যাবে না: র‌্যাবপ্রধান ৥
৥ আমার বাংলা TV: ঈদের আগে খালেদা জিয়ার মুক্তি চাইলেন ড. কামাল ৥
৥ আমার বাংলা TV: ইতিহাসের সবচেয়ে আরামদায়ক ও স্বস্তির ঈদযাত্রা এবার: সেতুমন্ত্রী ৥
৥ আমার বাংলা TV: সুবিধা বঞ্চিত ৬ হাজার শিশুর মুখে হাসি ফোটাল ‌‌`সাইলেন্ট স্মাইল ৥
৥ আমার বাংলা TV: প্রযুক্তির কারসাজি: ঘরে বসেই পাঠাও-সহজের বাইক চালায় চক্র ৥
৥ আমার বাংলা TV: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা ৥
৥ আমার বাংলা TV: চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির শপথ বিএনপির ৥
৥ আমার বাংলা TV: বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে মুখোমুখি ইংল্যান্ড-দ.আফ্রিকা ৥
৥ আমার বাংলা TV: ১০-১৫ লাখ মেট্রিকটন চাল রফতানি করবে সরকার ৥
৥ আমার বাংলা TV: অভিনয় ছেড়ে ইবাদত বন্দেগীতে ব্যস্ত এই নায়িকা ৥
৥ আমার বাংলা TV: প্রয়োজনে আমারও মৃত্যু হবে নুসরাতের মতো: আইনজীবী ৥
৥ আমার বাংলা TV: মানুষকে রামছাগল ভাবে এরা’ বোমা ফাটালেন আসিফ নজরুল ৥
৥ আমার বাংলা TV: মাদ্রাসা ছাত্রী নুসরাত হত্যা মামলার শুনানি ১০ জুন ৥
৥ আমার বাংলা TV: যাকে বিয়ে করছেন টালিউড অভিনেত্রী নুসরাত জাহান ৥
৥ আমার বাংলা TV: রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়ে আমরা দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিয়েছি : প্রধানমন্ত্রী ৥
৥ আমার বাংলা TV: ঈদের সময় যেমন থাকবে আবহাওয়া ৥
৥ আমার বাংলা TV: বিয়ে করলেন নায়িকা পপি, ঈদের পর হানিমুন ৥

নতুন আলোর প্রত্যাশা।

আমার বাংলা TV: আজকের নতুন ভোরে নতুন সূর্যোদয়ের মধ্য দিয়ে শুরু হলো নতুন একটি বছরের। ভরা পৌষের ধবল কুয়াশার হিমেল চাদর ছিন্ন করে নতুন সূর্য ছড়িয়ে দিয়েছে সোনালি আলোর সকাল। খোলা প্রান্তরে দেখা দিয়েছে সোনালি স্বপ্নের হাতছানি। আজ মঙ্গলবার বাংলা ১৮ পৌষে গ্রেগরিয়ান পঞ্জিকা অনুযায়ী যাত্রা শুরু করল আন্তর্জাতিক নববর্ষ ২০১৯। আর বাংলাদেশ  পা রাখল স্বাধীনতা অর্জনের ৪৮তম বছরে।নতুন বছর এমন এক উপলক্ষ, যখন আনন্দ উদযাপনের পাশাপাশি আসে পেছন ফিরে তাকিয়ে দেখার সময়, প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তি মিলিয়ে দেখার সময়। এমন মুহূর্তে সবারই প্রত্যাশা- ২০১৯ সাল বাংলাদেশের জন্য নতুন সমৃদ্ধি ও অগ্রযাত্রার ঢেউ নিয়ে আসুক, খুলে যাক সম্ভাবনার নবদিগন্ত। নতুন বছরে মানুষ চায় উজ্জ্বল আলোয় উদ্ভাসিত পথে হাঁটতে। আমরাও চাই বিগত দিনের ব্যর্থতা, হতাশা আর বঞ্চনার অবসান। চাই না ধ্বংস, হানাহানি, সংঘাত আর মৃত্যুর অসুস্থ রাজনীতি। অনিয়ম, স্বজনপ্রীতি, দুর্নীতি আর অগণতান্ত্রিক আচরণ থেকে সরে এসে কীভাবে সুন্দর উজ্জ্বল দিন নির্মাণ করা যায়, ঝঞ্ঝামুক্ত নিরুদ্বিগ্ন বাংলাদেশ গড়ে তোলা যায়- সেই প্রচেষ্টাই চালাতে হবে সবাইকে। আমরা সবাই চাই, মিলিত চেষ্টার মধ্য দিয়ে দেশে চমৎকার গণতান্ত্রিক পরিবেশ তৈরি করে নতুন বছর ২০১৯-কে আলোকোজ্জ্বল করে তুলতে।

পুরনো বছর ২০১৮ শেষ হওয়ার মাত্র একদিন আগে ৩০ ডিসেম্বর দেশজুড়ে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জন করেছে। এ মাসের মাঝামাঝি টানা তৃতীয়বারের মতো সরকার গঠন করতে চলেছে আওয়ামী লীগ। বঙ্গবন্ধু-তনয়া আবারও হবেন প্রধানমন্ত্রী। বাঙালির চোখে তাই এখন কেবলই সামনে এগিয়ে যাওয়ার স্বপ্নের ঝিলিক। বিপুল গণরায় নিয়ে আসা নতুন সরকারের কাছে মানুষের প্রত্যাশাও বিপুল। দেশে যেন আগামী পাঁচ বছর শান্তিপূর্ণ ও স্থিতিশীল অর্থনীতি, সমাজ ও রাজনীতি থাকে, এ প্রার্থনা সমগ্র দেশবাসীর।নতুন বছর উপলক্ষে বিশেষ বাণী দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বাংলাদেশের সমৃদ্ধি ও অগ্রগতির পাশাপাশি দেশের মানুষের উন্নয়ন প্রত্যাশা করেছেন তারা। পাশাপাশি বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।নতুন বছরের প্রথম দিন জাতির সাড়ে চার কোটি শিশু হাতে পাবে বিনামূল্যের পাঠ্যবই। এ এক অপার আনন্দ। শিক্ষা খাতে দেশ এগিয়েছে বহুদূর। তবে আরও দূরের পথ পাড়ি দিতে হবে সবাইকে। সে জন্য প্রয়োজন হবে মানসম্মত শিক্ষার। দরকার হবে শিক্ষা খাতে ব্যয় বরাদ্দ বাড়ানো। তা ছাড়া বিদ্যমান বরাদ্দ জিডিপির ৬ শতাংশ অর্থ যথাযথভাবে ব্যয় করা। ধীরে হলেও আমরা যেন নতুন বছরে সে পথে পা বাড়াতে পারি।

নতুন বছরে দেশের অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করে তোলা সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা। মূল্যস্ম্ফীতি আর দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির জোয়াল যেন অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে চেপে না বসে দেশবাসীর কাঁধে। দিন আনে দিন খায় মানুষ যেন খেয়ে-পরে শান্তিতে থাকতে পারে। গেল বছর নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম সহনীয় পর্যায়ে ছিল। নতুন বছরেও জিনিসপত্রের দাম যেন সাধারণ মানুষের হাতের নাগালেই থাকে। ২০১৯ সালে পদ্মা সেতুর কাজ শেষ হবে। ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে তা শেষ হওয়ার কথা ছিল। এই সেতুর কাজ সম্পন্ন হলে তা দেশের দক্ষিণাঞ্চলের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির নতুন সোপান রচনা করবে।জনমানুষের আরেকটি প্রত্যাশা হলো- নগরে যানজট দূর হোক। বিশেষ করে রাজধানী ঢাকার যানজট মানুষের মূল্যবান কর্মঘণ্টা ও কর্মজীবনকেও নষ্ট করছে। যানবাহনের গড় গতি ও ঢাকাবাসীর হেঁটে চলার গড় গতি প্রায় সমান। এ অবস্থার উত্তরণ ঘটাতে নতুন নতুন পদক্ষেপ নিতে হবে। ফুটপাত দখলমুক্ত করাও জরুরি। রাজধানীবাসীর চাওয়া- মেট্রোরেলের কাজও দ্রুতগতিতে এগিয়ে যাক। মেট্রোরেলের মূল অবকাঠামো নির্মাণের কাজ এরই মধ্যে শুরু হয়েছে। জনসাধারণ চায়, এর নির্মাণকাজে মানুষের ভোগান্তি যেন না বাড়ে।

অর্থনৈতিক উন্নয়নের সঙ্গে প্রবৃদ্ধি ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি গুরুত্বপূর্ণ দুটি বিষয়। কর্মসংস্থান সৃষ্টি হলে তাতে বেকারত্ব কমে। আশার বিষয়, সদ্য নির্বাচিত রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহারে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির ওপরে জোর দিয়ে নতুন উদ্যোক্তা তৈরির উদ্যোগ নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। বিশ্বের উচ্চ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ছিল ৭ দশমিক ৯। এটি আশাব্যঞ্জক। তবে অর্থনীতিবিদরা মনে করেন, যে হারে দেশের প্রবৃদ্ধি বাড়ছে, সে হারে কর্মসংস্থান বাড়ছে না। নতুন এই বছরে নতুন সরকারকে গুণগত কর্মসংস্থান ও নারীর কর্মসংস্থানে বিশেষ জোর দিতে হবে।দেশি-বিদেশি বিভিন্ন গবেষণা সংস্থার পরিসংখ্যান ও তথ্যমতে, দেশ থেকে টাকা পাচার ও দুর্নীতি অর্থনীতির জন্য চরম নেতিবাচক দুটি দিক। নতুন বছরে বাংলাদেশকে নিয়ে এ ধরনের খবর আর না আসুক- সেটাই মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত এ দেশের গণমানুষের প্রত্যাশা। সরকার দুর্নীতি দমন ও অর্থ পাচার রোধে সর্বোচ্চ কঠোর হবে- এ বছর দেশবাসী এমনই দেখতে চান।

ফেলে আসা বছরে বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত (এলডিসি) দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হওয়ার পথে পা বাড়িয়েছে। এই যাত্রাপথে এগিয়ে যাওয়ার সব যোগ্যতা ও শর্ত পূরণ করেছে বাংলাদেশ। রাষ্ট্রের লক্ষ্য, ২০২৪ সালের মধ্যে উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হওয়া। এই রূপান্তরের পথে দ্রুতগতিতে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে সরকার-জনগণ সবাইকে। আঞ্চলিক বিবেচনায় নানা সূচকে বাংলাদেশ সারাবিশ্বে নানা দিক দিয়েই এগিয়ে আছে। শিক্ষার্থীদের মধ্যে ছাত্র ও ছাত্রী সমতা বিধান হয়েছে। এ ছাড়া মাতৃমৃত্যুর হার ও জন্মহার কমানো, প্রাথমিক শিক্ষায় শতভাগ শিশুকে স্কুলে আনাসহ শিক্ষা ও স্বাস্থ্যের বিভিন্ন সূচকে বাংলাদেশ সারাবিশ্বে অকুণ্ঠ প্রশংসা কুড়িয়েছে। তবে সহজে ব্যবসা করার সূচকে এখনও পিছিয়ে বাংলাদেশ। নতুন বছরে আমরা যেন এ সূচক সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারি। দেশে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ সবার আগে নিশ্চিত করা জরুরি।জনমানুষের সবচেয়ে বড় প্রত্যাশা- দেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা থাকুক। গণতন্ত্রহীনতা, সাম্প্রদায়িকতা, জঙ্গিবাদ, রাজনৈতিক হানাহানি, সংঘাত, লড়াই আর সহিংসতা আর ফিরে না আসুক। নারীর প্রতি আরও মানবিক হোক রাষ্ট্র। আইনের শাসন সুপ্রতিষ্ঠিত হোক। মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধের বিচারকাজ অব্যাহত থাকুক। মুক্তিযুদ্ধের চেতনার অসাম্প্রদায়িক ও গণতান্ত্রিক দেশ হোক প্রিয় মাতৃভূমি।

সুস্থ ও সুন্দরভাবে বেঁচে থাকার অন্যতম বড় অবলম্বন হলো নির্মল পরিবেশ। বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তনগত উচ্চ ঝুঁকিতে থাকা অন্যতম দেশ। এখানে আবহাওয়াগত পরিবর্তন দ্রুত ঘটছে। জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবেলার সক্ষমতা আমাদের বাড়াতে হবে। পরিবেশের অন্যতম বড় উপাদান নদী। অথচ নদীমাতৃক এই দেশের নদীগুলো নাব্য হারাচ্ছে, দখল ও দূষণের শিকার হয়ে বিপন্নপ্রায়। ভরসার কথা, আওয়ামী লীগ তাদের নির্বাচনী ইশতেহারে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, দেশের ১০ হাজার কিলোমিটার নৌপথ উদ্ধার করা হবে। এ কাজের বাস্তবায়ন যেন নতুন এই বছরের প্রথম থেকেই শুরু করা হয়। তিস্তা চুক্তি ঝুলে আছে বহুদিন ধরে। নতুন বছরে এ ইস্যুটি যেন সফল পরিণতি পায়। আর ঢাকার চারপাশের দখল ও দূষণের শিকার নদীগুলো উদ্ধার করে নির্মল পরিবেশের প্রত্যাশাও যেন পূরণ হয়।প্রত্যাশা যেমন বিপুল, বাংলাদেশের সম্ভাবনাও তেমনি বিপুল। চাওয়া আর পাওয়ার এই হিসাব মেলানোর মধ্য দিয়ে বিদায়ী বছরটি ছিল বৈচিত্র্যময়। নতুন বছরে প্রত্যাশা আর প্রাপ্তির যেন সুসমন্বয় হয়- এ প্রত্যাশা দেশের সবার।

আমার বাংলা নিউজ / জানুয়ারি ০১ / ২০১৯

 

About amarbangla

amarbanglanews

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

WP Facebook Auto Publish Powered By : XYZScripts.com