শনিবার , ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ | সকাল ৭:৫৫

এইমাত্র পাওয়া:

৥ আমার বাংলা TV: পুরান ঢাকার চকবাজারে লাশ হস্তান্তর শুরু, ৪১ জনের পরিচয় শনাক্ত ৥
৥ আমার বাংলা TV: রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ,ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শোক ৥
৥ আমার বাংলা TV: কক্সবাজার টেকনাফে র‌্যাব ও বিজিবির সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ২ ৥
৥ আমার বাংলা TV: ২২ লাশ শনাক্তে ডিএনএ টেস্ট হবে স্বজনদের ৥
৥ আমার বাংলা TV: রাজধানী অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা ছিল না ভবনে: ডিএসসিসির তদন্ত দল চকবাজারে অগ্নিকাণ্ড ৥
৥ আমার বাংলা TV: ময়মনসিংহে পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে মাদক ব্যবসায়ী’ নিহত ৥
৥ আমার বাংলা TV: লাশের মিছিল গোটা দেশকে করেছে শোকার্ত ৥
৥ আমার বাংলা TV: রাসায়নিক বিক্রেতাদের আইনের আওতায় আনা হবে: ওবায়দুল কাদের ৥
৥ আমার বাংলা TV: পুরান ঢাকায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৭৮ ৥

ঢাকার দক্ষিণে প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী ওষুধ পান না রোগীরা।

আমার বাংলা TV: কামরাঙ্গীরচর ৩১ শয্যা হাসপাতালটি রাজধানীর পুরান ঢাকার দক্ষিণে ও বুড়িগঙ্গা নদীর পশ্চিমে কামরাঙ্গীরচরের কুড়ারঘাটে অবস্থিত। কামরাঙ্গীরচর এলাকাটি মূলত তিনটি ওয়ার্ড (৫৫, ৫৬ ও ৫৭নং) নিয়ে গঠিত।এ ৩ টি ওয়ার্ডে ১০ লাখ মানুষ বসবাস করে। কামরাঙ্গীরচরের কয়লাঘাট, ঠোডা, মুসলিমবাগ, আশ্রাফাবাদ, রসুলপুর, আচার আলাঘাট, জান্নাতবাগ, খোলামোড়া, জিটাবাজার, চিনিবাড়ি, রনি মার্কেট, কুড়ারঘাট এলাকা থেকে প্রতিদিন তিনশ’ থেকে চারশ’ রোগী সেবা নিতে আসেন এ হাসপাতালে।শিশু, বৃদ্ধা ও গর্ভবতীরা এ হাসপাতালে বেশি আসেন। ডাক্তাররা রোগী দেখে একটা লম্বা প্রেসক্রিপশন ধরিয়ে দেন রোগীদের হাতে। প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী হাসপাতাল থেকে কোনো প্রকার ওষুধ দেয়া হয় না। আবার বাইর থেকে ওষুধ কিনতে গেলে বিড়ম্বনায় পড়তে হয় রোগীদের।

কারণ ওই সব ওষুধ বাইরে সচরাচর পাওয়া যায় না। ২০১২ সালে কামরাঙ্গীরচর ৩১ শয্যা হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ও ২০১৮ সালে হাসপাতালটি উদ্বোধন করা হয়। বর্তমানে এ হাসপাতালে আসা রোগীদের প্রাথমিক চিকিৎসাটুকু দিতে পারছেন এখানকার চিকিৎসকরা।আর বড় ধরনের রোগীদের নিকটবর্তী মিটফোর্ড হাসপাতাল কিংবা ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়ে দেয়া হয়। হাসপাতালে ৬ জন ডাক্তার, ৭ জন নার্স ও ১৩ জন স্টাফ রয়েছেন। যা দিয়ে রোগীদের সেবা সম্পূর্ণ দিতে পারছে না। হাসপাতালটিতে নাক, কান, গলা, অর্থোপেডিক, চর্ম ও যৌন রোগের অভিজ্ঞ ডাক্তার নেই, নেই অভিজ্ঞ নার্স।

ওটি, এক্স-রে, রেডিওগ্রাফি, এমআরআই করার কোনো সরঞ্জাম নেই। নেই এসব যন্ত্রপাতী চালনায় লোকবল। তাই পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন এই এলাকাবাসী। কামরাঙ্গীরচর ৩১ শয্যা হাসপাতালে সেবা নিতে আসা রোগীরা যুগান্তরের কাছে তাদের বিভিন্ন অভিযোগের কথা বলেন।কামরাঙ্গীরচরের রসুলপুর থেকে আসা রোগী রানী সরকার বলেন, আমার জ্বর হয়েছে, তাই আমি এ হাসপাতালে এসেছি। ডাক্তার আমাকে দেখে একটা লম্বা প্রেসক্রিপশন হাতে ধরিয়ে দেন এবং বলেন, এ ওষুধগুলো বাইর থেকে কিনে খেতে। আমি গরিব। এ ওষুধ কিনতে আমার অনেক টাকা লাগবে। আমি জানি সরকারি হাসপাতালে ফ্রি চিকিৎসাসহ ওষুধ দেয়া হয়। আর এ হাসপাতালে নিয়মটা ওলটা।

কামরাঙ্গীরচরের কুড়ারঘাট থেকে আসা রোগী কাশেম বলেন, আমার প্রচণ্ড জ্বর ও কাশি হয়েছে। এ জন্য এ হাসপাতালে এসেছি। ডাক্তার আমাকে দেখে প্রেসক্রিপশন লিখে দিয়ে বাইর থেকে ওষুধ কিনে খেতে বলেছেন।কামরাঙ্গীরচর ৩১ শয্যা হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাক্তার ফরহাদ উদ্দীন আহম্মেদ বলেন, এ হাসপাতালে অনেক রোগের চিকিৎসা করা সম্ভব হয় না। যেমন নাক, কান, গলা, চর্ম ও যৌন, অর্থোপেডিক- এসব রোগের চিকিৎসা করা হয় না।কারণ এ ধরনের রোগের অভিজ্ঞ ডাক্তার এখানে নেই। আমরা শুধু জ্বর, ঠাণ্ডা, কাশির রোগীদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে থাকি। আর পর্যাপ্ত ওষুধ সরবরাহ না থাকার কারণে আমরা রোগীদের ঠিকমতো ওষুধ দিতে পারছি না।

আমার বাংলা নিউজ ডেক্স / ০১ অক্টোবর / ২০১৮

 

About amarbangla

amarbanglanews

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *