মঙ্গলবার , ১৮ জুন ২০১৯ | সকাল ১১:৫৩

এইমাত্র পাওয়া:

৥ আমার বাংলা TV: আজ (মঙ্গলবার) চাঁদ দেখা গেলে আগামীকাল ঈদ ৥
৥ আমার বাংলা TV: ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ৪৫ কিলোমিটার যানজট ৥
 ৥ আমার বাংলা TV: জোড়া সেঞ্চুরির পরও হার ইংল্যান্ডের ৥
 ৥ আমার বাংলা TV: মাদারীপুরে ৩০ গ্রামের লক্ষাধিক মানুষের আগাম ঈদ ৥
৥ আমার বাংলা TV: রংপুরে ফাঁস দিয়ে কলেজ শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা ৥
৥ আমার বাংলা TV: চট্টগ্রামে সীতাকুণ্ড কথিত বন্দুকযুদ্ধে ২ ডাকাত নিহত ৥
৥ আমার বাংলা TV: সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যে ঈদুল ফিতর উদযাপন ৥
৥ আমার বাংলা TV: সৌদি আরবে ঈদ মঙ্গলবার ৥
৥ আমার বাংলা TV: ভুল করেছে তো মরেছে দ.আফ্রিকা, মতামত ক্যালিসের ৥
৥ আমার বাংলা TV: ঈদের শপিং শেষে বাড়ি ফেরার পথে গোপালগঞ্জে নিহত ২ ৥
৥ আমার বাংলা TV: সর্ববৃহৎ ঈদের জামাতের জন্য প্রস্তুত গোর-এ শহীদ ময়দান ৥
৥ আমার বাংলা TV: নারায়ণগঞ্জেও ঈদের আগাম জামাত ৥
৥ আমার বাংলা TV: রাজনৈতিক নেতারা কে কোথায় ঈদ করবেন ৥
৥ আমার বাংলা TV: এটিএম বুথে জালিয়াতি: ইউক্রেনের ৬ নাগরিক ৩ দিনের রিমান্ডে ৥
৥ আমার বাংলা TV: ধামরাইয়ে বাসচাপায় পিকআপভ্যানের ৪ যাত্রী নিহত ৥
৥ আমার বাংলা TV: টাকা পেলেই জঙ্গিদের পক্ষে আদালতে দাঁড়ানো যাবে না: র‌্যাবপ্রধান ৥
৥ আমার বাংলা TV: ঈদের আগে খালেদা জিয়ার মুক্তি চাইলেন ড. কামাল ৥
৥ আমার বাংলা TV: ইতিহাসের সবচেয়ে আরামদায়ক ও স্বস্তির ঈদযাত্রা এবার: সেতুমন্ত্রী ৥
৥ আমার বাংলা TV: সুবিধা বঞ্চিত ৬ হাজার শিশুর মুখে হাসি ফোটাল ‌‌`সাইলেন্ট স্মাইল ৥
৥ আমার বাংলা TV: প্রযুক্তির কারসাজি: ঘরে বসেই পাঠাও-সহজের বাইক চালায় চক্র ৥
৥ আমার বাংলা TV: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা ৥
৥ আমার বাংলা TV: চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির শপথ বিএনপির ৥
৥ আমার বাংলা TV: বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে মুখোমুখি ইংল্যান্ড-দ.আফ্রিকা ৥
৥ আমার বাংলা TV: ১০-১৫ লাখ মেট্রিকটন চাল রফতানি করবে সরকার ৥
৥ আমার বাংলা TV: অভিনয় ছেড়ে ইবাদত বন্দেগীতে ব্যস্ত এই নায়িকা ৥
৥ আমার বাংলা TV: প্রয়োজনে আমারও মৃত্যু হবে নুসরাতের মতো: আইনজীবী ৥
৥ আমার বাংলা TV: মানুষকে রামছাগল ভাবে এরা’ বোমা ফাটালেন আসিফ নজরুল ৥
৥ আমার বাংলা TV: মাদ্রাসা ছাত্রী নুসরাত হত্যা মামলার শুনানি ১০ জুন ৥
৥ আমার বাংলা TV: যাকে বিয়ে করছেন টালিউড অভিনেত্রী নুসরাত জাহান ৥
৥ আমার বাংলা TV: রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়ে আমরা দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিয়েছি : প্রধানমন্ত্রী ৥
৥ আমার বাংলা TV: ঈদের সময় যেমন থাকবে আবহাওয়া ৥
৥ আমার বাংলা TV: বিয়ে করলেন নায়িকা পপি, ঈদের পর হানিমুন ৥

খেলাপির প্রভিশনে আটকা ৫১ হাজার কোটি টাকা।

আমার বাংলা TV : ব্যাংকিং খাতে দুর্বল ব্যবস্থাপনা ও কর্মদক্ষতার অভাবে মানসম্পন্ন সম্পদের পরিমাণ কমেছে। একই সঙ্গে বেড়েছে খেলাপি ঋণের পরিমাণ। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি বেড়েছে আদায় অযোগ্য কু-ঋণের পরিমাণ; যা আর্থিক খাতকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলেছে।খেলাপি ঋণের কারণে ব্যাংকগুলোর প্রায় ৫১ হাজার কোটি টাকার তহবিল আটকে রয়েছে প্রভিশন খাতে। এসব অর্থ তারা বিনিয়োগ করতে পারছে না। আর্থিক খাতে তারল্য ব্যবস্থাপনায় ভারসাম্যহীনতার অন্যতম একটি কারণ হচ্ছে এসব তহবিল আটকে যাওয়া।বাংলাদেশ ব্যাংকের ‘আর্থিক স্থিতিশীলতা প্রতিবেদন’ বিশ্লেষণ করে তথ্যগুলো পাওয়া গেছে। মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রতিবেদনটি প্রকাশ করেছে।প্রতিবেদনে বলা হয়, আর্থিক খাতে খেলাপি ঋণের হার উদ্বেগজনকভাবে বেড়ে যাচ্ছে। খেলাপি ঋণ বেড়ে যাওয়ার বিষয়টিবিশ্বব্যাপী আর্থিক খাতে স্থিতিশীলতা রক্ষায় এখন প্রধান উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বাংলাদেশও এর বাইরে নয়।

 ২০০৭-০৮ সালে বিশ্বব্যাপী যে আর্থিক সংকটের সৃষ্টি হয় তার শুরুটা ছিল আমেরিকার ব্যাংকিং খাত থেকে। ওই দেশের ব্যাংকগুলো বেপরোয়া গতিতে গৃহায়ন খাতে ঋণ দেয়। ঋণের বিপরীতে যথেষ্ট জামানত ছিল না। জামানতের মান অত্যন্ত দুর্বল।একপর্যায়ে টাকা ফেরত আসছিল না। ব্যাংকগুলোও জামানত বিক্রি করে ঋণ আদায় করতে পারছিল না। তখন ব্যাংকিং খাতে সম্পদের মান খারাপ হতে থাকে। এতে বেড়ে যায় ঝুঁকিপূর্ণ সম্পদের পরিমাণ।দেউলিয়ার পথে বসে পুরো ব্যাংকিং খাত। তখন সরকার জনগণের করের টাকা ধার দিয়ে ব্যাংকগুলোকে উদ্ধার করেছিল। ওই সময়ে আমেরিকার পুরো অর্থনীতিতে ধস নেমেছিল। অন্যান্য দেশের অর্থনীতির জন্য তা বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছিল। ব্যাংকিং খাতকে সেই অভিজ্ঞতার বিষয়টি স্মরণ করিয়ে দেয়া হয়েছে এই প্রতিবেদনে।

এতে আরও বলা হয়, খেলাপি ঋণ বাড়ার কারণে ব্যাংকিং খাতে প্রভিশন রাখার পরিমাণ বেড়ে যাচ্ছে। ২০১১ সালে প্রভিশনের পরিমাণ ছিল ১৫ হাজার কোটি টাকা। গত বছর প্রভিশন রাখার প্রয়োজন দেখা দেয় ৫৭ হাজার ৪০ কোটি টাকা। এর বিপরীতে ব্যাংকগুলো রাখতে পেরেছে ৫০ হাজার ৪৩০ কোটি টাকা। ঘাটতি আছে ৬ হাজার ৬১০ কোটি টাকা।ব্যাংকগুলোর বিভিন্ন ধরনের ঝুঁকিপূর্ণ সম্পদের বিপরীতে প্রভিশন রাখতে হয়। এর মধ্যে নিয়মিত ঋণের বিপরীতে ১ শতাংশ। খেলাপি ঋণের তিনটি শ্রেণীর মধ্যে নিুমানের ঋণে ২০ শতাংশ, সন্দেহজনক ঋণের ৫০ শতাংশ এবং কু-ঋণের বিপরীতে শতভাগ প্রভিশন রাখতে হয়।ব্যাংকগুলো প্রভিশন রাখে মুনাফার অর্থ বা মূলধনের অর্থ থেকে। এসব অর্থ প্রভিশন হিসাবে রাখলে তা আটকে থাকে। এগুলোর বিপরীতে কোনো আয় হয় না। এগুলো ঋণ হিসাবেও বিতরণ করতে পারে না। এসব অর্থ আটকে থাকার কারণে অর্থনীতিতে টাকার সঞ্চালন কমে যায়; যা অর্থনীতির প্রতিটি খাতকে আঘাত করে।

অর্থনীতির এসব ক্ষতিকারক দিক থেকে আর্থিক খাতকে রক্ষায় খেলাপি ঋণের হার কমানোর সুপারিশ করা হয়েছে। একই সঙ্গে সম্পদের ব্যবস্থাপনার মান ও দক্ষতা বাড়ানোর ওপর জোর দেয়া হয়েছে।প্রতিবেদনে বলা হয়, আর্থিক খাতে খেলাপি ঋণ কম থাকলে ঋণের সুদের হার কমে যাবে। এতে বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ বাড়ে। ব্যাংকগুলোর ঝুঁকির মাত্রা কমে যায়। এ সময় ব্যাংকগুলোর আয় বেড়ে যায়। এতে ঋণ বিতরণের সক্ষমতা বাড়ে; যা অর্থনীতির টেকসই প্রবৃদ্ধির জন্য ইতিবাচক হয়।প্রতিবেদনে বলা হয়, কেন্দ্রীয় ব্যাংক গবেষণার মাধ্যমে বাংলাদেশের খেলাপি ঋণের গতিপ্রকৃতি ও গভীরতা বোঝার চেষ্টা করছে। এর আলোকে খেলাপি ঋণ কমিয়ে আনার জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংক তদারকি ব্যবস্থা জোরদার করেছে।

দেশের ৫৭টি ব্যাংকের মধ্যে ৪৫টি ব্যাংকের খেলাপি ঋণ সিঙ্গেল ডিজিটের মধ্যে রয়েছে। এর মধ্যে ১২টি ব্যাংকের খেলাপি ঋণের হার ২০১৭ সালের তুলনায় ২০১৮ সালে অপরিবর্তিত রয়েছে। বাকি ১২টি ব্যাংকের খেলাপি ঋণ ডাবল ডিজিটের উপরে। এদের খেলাপি ঋণের হার ১৫ শতাংশের বেশি।কিছু ব্যাংকের দুর্বল ব্যবস্থাপনা ও অদক্ষতার কারণে ব্যাংকিং খাতে সার্বিক সম্পদের মান কমে গেছে। তারপরও কিছু খাতে উন্নতি হয়েছে। এর মধ্যে গ্রামে ব্যাংকিং খাতের প্রসার ঘটেছে। ইসলামী ব্যাংকিংয়ের প্রসারের ফলে এই ধারার ব্যাংকিং জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।প্রতিবেদনে বলা হয়, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে নিট খেলাপি ঋণের হার বাংলাদেশে কিছুটা কমেছে। নিট হিসাবে খেলাপি ঋণ সবচেয়ে বেশি ভারতে। তাদের খেলাপি ঋণের হার সোয়া ৫ শতাংশ, ভুটানে ৫ শতাংশ, মালদ্বীপে আড়াই শতাংশ, মালয়েশিয়ায় ১ শতাংশ, শ্রীলংকায় ২ শতাংশ এবং বাংলাদেশে ২ দশমিক ২ শতাংশ।

ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণ বাড়লেও নিট হিসাবে কমেছে। সরকারি ব্যাংকগুলোতে গ্রস খেলাপি ঋণ ৩০ শতাংশ, নিট হিসাবে ১১ দশমিক ৩ শতাংশ। বেসরকারি ব্যাংকগুলোতে গ্রস খেলাপি ঋণ সাড়ে ৫ শতাংশ, নিট হিসাবে শূন্য দশমিক ৪ শতাংশ। বিদেশি ব্যাংকগুলোতে গ্রাস খেলাপি ঋণ সাড়ে ৬ শতাংশ, নিট হিসাবে শূন্য দশমিক ৭ শতাংশ।বিশেষায়িত ব্যাংকগুলোতে গ্রস খেলাপি ঋণ সাড়ে ১৯ শতাংশ, নিট হিসাবে ৫ দশমিক ৭ শতাংশ। মোট হিসাবে গ্রস খেলাপি ঋণ ১০ দশমিক ৩ শতাংশ, নিট হিসাবে ২ দশমিক ২ শতাংশ।গত বছর সম্পদের মান সবচেয়ে বেশি কমেছে সরকারি ব্যাংকগুলোতে। তাদের দুর্বলতা শুধু সরকারি খাতে অর্থায়ন বা অন্য কোনো সরকারি কাজে সম্পৃক্ত থাকার কারণে নয়। তাদের সামগ্রিক দুর্বল ব্যবস্থাপনা ও কর্মদক্ষতার অভাবে সম্পদের মান খারাপ হয়েছে।

ব্যাংকগুলো খেলাপি ঋণের বিপরীতে প্রভিশন রেখে নিট হিসাবে খেলাপি ঋণ কমিয়েছে। প্রভিশনের কারণে ব্যাংকগুলোর ঝুঁকির মাত্রা কমেছে। কিন্তু ঋণ আদায় না বাড়লে ঝুঁকির মাত্রা আরও বেড়ে যাবে।ব্যাংকিং আমানত বিভাজনের ইতিবাচক পর্যায়ে রয়েছে। মোট আমানতের মধ্যে মেয়াদি আমানতের হার ৫২ দশমিক ৬ শতাংশ, সঞ্চয়ী হিসাবে আছে ২১ শতাংশ, চলতি হিসাবে ২০ দশমিক ৮ শতাংশ এবং অন্যান্য হিসাবে ৫ দশমিক ৭ শতাংশ ।মেয়াদি হিসাবে বেশি আমানত থাকলে ব্যাংকগুলো দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়ন করতে পারে। ফলে শিল্প খাতে মেয়াদি ঋণ বিতরণে ব্যাংকগুলোর সক্ষমতা বাড়ে। এতে শিল্প খাত চাঙ্গা হয়; যা অর্থনীতিকে টেকসই উন্নয়নের দিকে নিয়ে যায়।

আমার বাংলা নিউজ  /৩০ মে / ২০১৯

 

About amarbangla

amarbanglanews

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

WP Facebook Auto Publish Powered By : XYZScripts.com